প্রিয় শায়লা
ভালোবাসার জন্য হাতের মুঠোয় প্রাণ নিতে পারিনি। পারিনি দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে লাল কাপড় পরাতে। আর বিশ্ব সংসার তন্ন তন্ন করে ১০৮ টা নীলপদ্ম খোঁজা? তুমি তো জানো, সে আমার কর্ম নয়। আমি ছিলাম আমার স্বপ্নের মতই সাধারণ। একটা ছোট ঘর, কিছু পুরনো আসবাব, ফুলদানিতে মরে থাকা শুকনো গোলাপ আর সেই তুমি আমি। ও হ্যাঁ! আর ভাঙ্গা শেলফটাতে গোটা কতক পুরনো ম্যাগাজিনের ভিড়ে সুনীল গাঙ্গুলী যে শোভা বাড়াতেন না, তাই বা কেমন করে বলি!
শায়লা, কেমন আছো? জানি, আজ তোমার উত্তরে পৃথিবীর দুই মেরুর চৌম্বকীয় তরঙ্গে কোনো বিচ্যুতি ঘটবে না। তবু মন বলেও তো একটা কথা আছে! তা নিশ্চয়ই অস্বীকার করবে না। ঝিলের ধারে যে কৃষ্ণচূড়া গাছটার নিচে প্রতি বিকেলে কোনো পরিশ্রমী মাকড়সার মত স্বপ্নের বুননে বেঁধেছিলাম দুজন দুজনাকে, জানো শায়লা, বছর না ঘুরতেই গাছটা কেন জানি মরে গেল। আমি দিয়েছি যতটুকু পারা যায়। তুমি নাহয় একদিন, হয়ত কোনো একদিন এসো। রেখে যেও দুফোঁটা অশ্রুজল এখানে, ঠিক এখানে। শিকড়ের পাদদেশে। যেখানে আজও ভ্রমরেরা কানে কানে আমাদের স্বপ্নের কথা বলে।
শায়লা, তুমি জীবনের কথা বলতে। এগিয়ে যাবার কথা বলতে। কিন্তু আমি তো চেয়েছিলাম ভীরু পক্ষিশাবকের মতো তোমাকে আড়াল করে বাঁচতে। তুমি চেয়েছিলে আমি একদিন বড় মানুষ হই। মসৃণ ঝাঁ চকচকে কোণো বড় অফিসে একটা চাকরি নিই। কিন্তু আমি যে বড় কিছুতে ভঁয় পাই, শায়লা। আমি শুধু চেয়েছিলাম, শ্রাবণের এক রাতে তোমার এলোচুলে মুখ গুঁজে একটু ঘুমোতে।
তুমি সুনীলের মত সাহসী হতে বলতে। বলতে প্রেম শুধু সাহসী মানুষের জন্য। ভীরুর জন্য নয়। জানো শায়লা, এই নিয়ে আমার কোনো দুঃখ নেই। নেই অভিমান। আমি সুনীল নই। সবাই সুনীল হতে পারেনা। আর আমি সুনীল নই বলেই তো তুমি বরুণা নও।
ঘুম ভেঙ্গে উঠে যখন এককাপ গরম কফি হাতে এই লেখাটি পড়বে, তখন তোমার বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখা সুগন্ধি রুমালখানা আজ কোথায়? আমি জানতে চাইবনা। আমি শুধু তোমার চুলে মুখ ডুবিয়ে একটুখানি ঘুমিয়ে নেব। তুমি ঠিক দেখে নিয়ো।
এখন শুধু তোমার ঘুম ভাঙ্গার অপেক্ষা...
ভালোবাসার জন্য হাতের মুঠোয় প্রাণ নিতে পারিনি। পারিনি দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে লাল কাপড় পরাতে। আর বিশ্ব সংসার তন্ন তন্ন করে ১০৮ টা নীলপদ্ম খোঁজা? তুমি তো জানো, সে আমার কর্ম নয়। আমি ছিলাম আমার স্বপ্নের মতই সাধারণ। একটা ছোট ঘর, কিছু পুরনো আসবাব, ফুলদানিতে মরে থাকা শুকনো গোলাপ আর সেই তুমি আমি। ও হ্যাঁ! আর ভাঙ্গা শেলফটাতে গোটা কতক পুরনো ম্যাগাজিনের ভিড়ে সুনীল গাঙ্গুলী যে শোভা বাড়াতেন না, তাই বা কেমন করে বলি!
শায়লা, কেমন আছো? জানি, আজ তোমার উত্তরে পৃথিবীর দুই মেরুর চৌম্বকীয় তরঙ্গে কোনো বিচ্যুতি ঘটবে না। তবু মন বলেও তো একটা কথা আছে! তা নিশ্চয়ই অস্বীকার করবে না। ঝিলের ধারে যে কৃষ্ণচূড়া গাছটার নিচে প্রতি বিকেলে কোনো পরিশ্রমী মাকড়সার মত স্বপ্নের বুননে বেঁধেছিলাম দুজন দুজনাকে, জানো শায়লা, বছর না ঘুরতেই গাছটা কেন জানি মরে গেল। আমি দিয়েছি যতটুকু পারা যায়। তুমি নাহয় একদিন, হয়ত কোনো একদিন এসো। রেখে যেও দুফোঁটা অশ্রুজল এখানে, ঠিক এখানে। শিকড়ের পাদদেশে। যেখানে আজও ভ্রমরেরা কানে কানে আমাদের স্বপ্নের কথা বলে।
শায়লা, তুমি জীবনের কথা বলতে। এগিয়ে যাবার কথা বলতে। কিন্তু আমি তো চেয়েছিলাম ভীরু পক্ষিশাবকের মতো তোমাকে আড়াল করে বাঁচতে। তুমি চেয়েছিলে আমি একদিন বড় মানুষ হই। মসৃণ ঝাঁ চকচকে কোণো বড় অফিসে একটা চাকরি নিই। কিন্তু আমি যে বড় কিছুতে ভঁয় পাই, শায়লা। আমি শুধু চেয়েছিলাম, শ্রাবণের এক রাতে তোমার এলোচুলে মুখ গুঁজে একটু ঘুমোতে।
তুমি সুনীলের মত সাহসী হতে বলতে। বলতে প্রেম শুধু সাহসী মানুষের জন্য। ভীরুর জন্য নয়। জানো শায়লা, এই নিয়ে আমার কোনো দুঃখ নেই। নেই অভিমান। আমি সুনীল নই। সবাই সুনীল হতে পারেনা। আর আমি সুনীল নই বলেই তো তুমি বরুণা নও।
ঘুম ভেঙ্গে উঠে যখন এককাপ গরম কফি হাতে এই লেখাটি পড়বে, তখন তোমার বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখা সুগন্ধি রুমালখানা আজ কোথায়? আমি জানতে চাইবনা। আমি শুধু তোমার চুলে মুখ ডুবিয়ে একটুখানি ঘুমিয়ে নেব। তুমি ঠিক দেখে নিয়ো।
এখন শুধু তোমার ঘুম ভাঙ্গার অপেক্ষা...

